দুদিন পার হয়ে গেছে। পরিকল্পনার একটা নকশা তৈরি করা হয়নি কে কোথায় আক্রমণ করবে কিভাবে করবে। হিমাংশু এবং বর্ধক বেশ ভালোভাবেই একটা বিষয় লক্ষ্য করেছে যেভাবে ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের উপর তুমুল ভাবে আক্রমণ করেছে মেনে নেয়ার মত নয় তা। গণহত্যা চালিয়েছে গাজার ওপর এবং সেখানে অসংখ্য ফিলিস্তিনি বেসামরিকদের কে মেরে, বসতি ও স্থাপনাগুলো একেবারে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। ওই জনপদগুলোতে মানুষকে কোনমতে ঠাঁই দিতে পারছে না। হিমাংশু, বর্ধক আলাপ করছিল।
হঠাৎ করে এজেন্ট শরীফ তাদের দিকে এসে বলল, "তোমাদের একটা টেস্ট রান হবে মানে তোমরা কি করতে চাও? কথা বলায় তারা দুজনেই বেশ অবাক হল। কখনো ঘুনাক্ষরেও চিন্তা করতে পারেনি যে তাদেরকে আলাদা একটা ডেমোস্ট্রেশন দেবেন। এটার জন্য তারা প্রস্তুত ছিল না। তারা ভেবেছিল হয়তো বা তাদেরকে একসাথে নিয়েই সবাই ফিল্ডে নামবে। কিন্তু না এবার এটা দেখেই তারা একটু হতচকিত হয়ে গেছে। কারণ পরিকল্পনা এমন হবে তা তো তাদের মাথায় ছিল না। হঠাৎ যেটা করা হলো সেটা হলো হিমাংশুর কাছ থেকে একটা কনফার্মেশন নেয়া হলো যে সে কি আসলে যেতে পারবে কিনা। হিমাংশু এবং বর্ধক একসাথে বলল আমরা যাব।
তখন এজেন্ট শরীফ বলল, "তোমরা কিভাবে এর সাথে মোকাবেলা কর সেটা আমরা দেখতে চাই।"
বর্ধক বললো, "আজকে আমরা ওদের সাথে যুদ্ধে যাব দেখা যাক কি হয়।"
গাজার সাথে ঘেরা যেই বড় বিশাল প্রাচীর গুলো রয়েছে, নিচে দেয়াল উপরে কাঁটাতারের বেড়া এগুলো কখনো কখনো খুব জনশূন্য হওয়াতে খুব ভয় ধরে যায় মনে যে কারো। হিমাংশু এবং বর্ধক মোটেও ভয় পাচ্ছে না। এমন সময় হঠাৎ ওদিক থেকে ট্যাংকের দুই একটা গোলা এল। হিমাংশু বরফের একটা আবরণ তুলে দিল যেটা মুহূর্তে আরেকটা দেয়ালের মতো হয়ে গেল। কাঁচের স্বচ্ছ দেয়ালের মত। গোলা দুটো আটকে গেল সেখানে। হিনাংশু একেবারে দিয়েছে এবং ইসরাইলি সেনারা হুহু করতে লাগলো কারণ তারা খুব ঠাণ্ডা অনুভব করছে। এমন সময় বর্ধক সেখানে একটা বড় হতে হতে হতে হতে হতে একটা বিশাল ফু দিল হাতে এমন জোরে দিল যে সাথে সাথে বরফের আইসবার্গ যেন সেখানে হয়ে গেল। চারপাশে হঠাৎ করে মনে হতো লাগলো যে অনেকদিন ধরে তুষারপাত হয়েছে যার কারণে বরফের নিরেট শক্ত আইসবার্গে পরিণত হয়েছে।
এমন সময় একজন ইসরাইলি সেনা তেড়ে এলো। হিমাংশু তেমনটা ভয় না পেলেও বুঝতে পারলো যে লোকটা বেশ ভালই দক্ষতা আছে মার্শাল আর্ট এ। ইসরাইলের এই মার্শাল আর্টকে বলা হয় ক্রাভ মাগা। লোকটা তেড়ে আসাতে বাকিরাও দেখা গেলো বেশ সাহস করে চলে এসেছে হিমাংশুর দিকে। যখনই তারা তেড়ে আসলো হিমাংশুর হাত এবং পিঠ থেকে, খেজুর গাছের যেমন কাঁটা যেমন বের হয় তেমনি বরফের ধারালো নখর বের হল এবং সেগুলো দেখে তারা ভয় সিটিয়ে গেল। কিন্তু দেরি হয়ে গেছে। হিমাংশু ধুম করে পিঠ থেকে ছুঁড়ে দিল। সেগুলো এমন করে লাগল যারা এগিয়ে এসেছিল তাদের সবাইকে সেই বরফ কাঁটা মেরেছে হিমাংশু। তার হাতের ইশারায় বরফগুলো তাদের শরীরে গিয়ে বিধেছে।
