মোবাইলের রিং বাজতেই চোখ খুলে গেলো বর্ধকের। এতো সকালে ঘুম ভাঙ্গানো রিংটোনে চোখ খুলতেই অবাক সে। মেজর তালহা। খাওয়া দাওয়ার সাথে তার কোনো ফিজিক্যাল অ্যাবিলিটির সম্পর্ক নেই। মানে দু বেলা খেতে না পারলেও মোটামুটি শরীর বড় করতে কোনো সমস্যা নেই। শরীরটাকে ইচ্ছেমতন বড় করার যে শক্তি সেটা অনেক। কতো? এক গ্রহের সমান? একটা সোলার সিস্টেম? না। ইউনিভার্সাল সাইজ।
"স্যার, আসসালামুআলাইকুম।"
"কোথায় থাকো হে? টিভি অন করো।" তালহা বললেন।
গত কদিনে ডার্ক এজেন্টসকে লিড দিতে দিতে তার নিজের জীবনকে ভুলেই গেছে। মায়ের চোখে অসংসারী এক ছেলে এখন। টিভি স্ক্রীণ অন করতে করতে গেঞ্জিটা গায়ে চাপালো। বর্ষার সেঁদো গন্ধ গেঞ্জিতে। শহুরে জীবনযাপনে সহজ মাত্রার কাপড় পরিধানে অভ্যস্ত সে। টিভি স্ক্রীণ অন হতেই চক্ষু চড়কগাছ। যা কোনদিন দেখেই নি সেই বিষয়টা আজ চোখে চলে এলো। একটা লোক। তার শরীরের পেছন দিক থেকে মোটামুটি লম্বালম্বি আট নয় মাথা সাপ বের হয়ে আছে। সে যেদিকে ছুটে যাচ্ছে সেদিকের যে যেভাবে পারছে চিৎকার করে ছুটে পালাচ্ছে।
কানে ইয়ারবাডস গুজেই তালহাকে বললো, "স্যার, অন দ্য ওয়ে"
জায়গাটায় এসে অবাক হলো। লোক্টা নেই নেই। একবার চারপাশে চোখ বুলানো জরুরি। সাসপেক্টকে কাছে