১০ নভেম্বর, ২০১৭। ঝকঝকে সকাল।
পিংক সিটির অভিজাত পাড়ায় ছোট্ট ছিমছাম বাড়ি। ছোট, মাঝারি গাছের সমাহার। সবগুলোই আরমিনের লাগানো। কক্সবাজার থেকে বিশেষ কাউন্টার অপারেশন ও হানিমুন সেরে আসার পর যখন জানতে পারে তার পেটে রিশাদের ভবিষ্যৎ আস্তে আস্তে বড়ো হচ্ছে, তখনই সব ধরণের স্পাইং ছেড়ে থিতু হয়েছে ঘর সংসারে। বাড়ির ভেতর সব ধরণের গাছ তারই লাগানো। তার উপর গোটা বাড়িটা যেনো তারই প্রতিচ্ছবি। তবে রিশাদ তাকে বসে থাকতে দেয়নি। খুলে দিয়েছে কনসালটেন্ট এজেন্সি। যতো রকমের কেস আছে, আসিফ আর সাদিয়াকে নিজের তত্ত্বাবধানে রেখে অফিস পুরোদমে চালাচ্ছে। সাথে হিশাম আর সংসারও। হিশাম আরমিন-রিশাদের একমাত্র ছেলে। আর এটার নীচ তলা এখন এজেন্টস অব ডি এর হেডকোয়ার্টার।
ঢাকার এদিকটায় শান্ত নির্জন এলাকা। অন্ততঃ জ্যামের এলাকা নয়। এরিয়াটা প্রায় গ্রামের কাছাকাছি ধরা যায়। তাই সবার একটু এরকম এলাকাই পছন্দ। দিনজুড়ে প্রতিঘন্টায় দু একটা কেসের ফোন আসছে। কেউ ড্রাগ চালানের, কেউ অত্যাচারী কোন গ্যাংস্টারের খোঁজ দিচ্ছে, কেউবা কোন ভাড়াটে খুনী বা সন্ত্রাসীর খবর দেয়। দেখতে দেখতে দিন গড়িয়ে গেলো। সন্ধ্যা নেমে আসছে ঢাকার বুকে। অফিস ক্লোজ করে আরমিন সাদিয়াকে নিয়ে উপরে এসেছে। নীচে একটা রুমে আসিফ থাকে। একটু পরেই রিশাদ চলে আসবে।
হঠাৎ ইমার্জেন্সি কোড নোটিফিকেশন ভেসে উঠলো আরমিনের স্মার্টফোনে। সি ফাইভ ফাইভ জে টুয়েন্টি। এটা একটা স্পেশাল কোড যা ইনডিকেট করে কোন এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল বা অজানা নতুন কোন ভয়ানক প্রাণীর উদ্ভব হলে। আরমিন একটু চমকে উঠলো নোটিফিকেশনটা তার এলাকার সাথে লাগোয়া একটা জোনে দেখা যাচ্ছে বলে। প্রায় একই সময়ে নিজের রুমে কান খাড়া হয়ে গেলো আসিফের। নাকের ভেতর অদ্ভুত গন্ধ আসছে দশ মাইল দুর থেকে। বিকট ভয়ংকর আর তীব্র আওয়াজও তার কানে আসলো যা অন্য সাধারণ কেউ শুনতে পায়না। হাত চাপা দিয়ে দৌড় দিলো উপর দিকে। ওদিকে বলছিলাম একই সময়ে সাদিয়াও বিদ্যুৎ শক খাওয়ার মতো লাফিয়ে উঠলো। ইমারজেন্সি ডিজিটাল ওয়্যারলেস গিগাবক্সের লাল বাটন চিপলো। ভয়েস রিকগনাইজড মাইক্রোচিপ তার গলা হুবুহু পাঠিয়ে দিলো বাংলাদেশ আর্মি, র্যাব, এনএসআই, চিতা ও ডিবির রেডিও কন্ট্রোল টাওয়ারে। বিশেষ ক্ষমতাবলে সে অতীত ও ভবিষ্যৎ দেখতে পায়। শক খাচ্ছে প্রতি ন্যানোসেকেন্ড। যা কল্পনাতীত। একটা মানুষ হঠাৎ করেই ভয়ংকর জন্তুতে রূপ নিচ্ছে। চোখালো নখ, দাঁত আর অবিশ্বাস্য লাফ দেওয়ার ক্ষমতা তার। সংক্রমিত হওয়ার পর আশেপাশের মানুষ দেখে হুড়মুড় করে ছুটে যাচ্ছে। যার গায়েই আঁচড় লাগছে, সেই সংক্রমিত হচ্ছে। বিশাল এক ভয়ংকর ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে মনুষ্যজাতির জন্য। শিউরে উঠে পট পট বলতে লাগলো ভয়েস রিকগনাইজড মাইক্রোচিপে, "কোড ভিশন ওমেন, দিস ইজ ইমার্জেন্সি মেসেজ টু অল ইউনিট অব পিপল'স রিপাবলিক অব বাংলাদেশ, দোজ হু আর রিসিভিং প্লীজ রেস্ট্রিক্ট ইওর এরিয়া এন্ড প্রোটেক্ট এভ্রি লিভিং অবজেক্ট ফ্রম আনআইডেন্টিফাইড বিস্ট হেডিং ফ্রম দ্য নিয়ারেস্ট জোন অব আশুলিয়া" বলেই দরজার দিকে তাকিয়ে দেখলো আরমিন চোখ গোল গোল করে তাকিয়ে আছে...
পিংক সিটির অভিজাত পাড়ায় ছোট্ট ছিমছাম বাড়ি। ছোট, মাঝারি গাছের সমাহার। সবগুলোই আরমিনের লাগানো। কক্সবাজার থেকে বিশেষ কাউন্টার অপারেশন ও হানিমুন সেরে আসার পর যখন জানতে পারে তার পেটে রিশাদের ভবিষ্যৎ আস্তে আস্তে বড়ো হচ্ছে, তখনই সব ধরণের স্পাইং ছেড়ে থিতু হয়েছে ঘর সংসারে। বাড়ির ভেতর সব ধরণের গাছ তারই লাগানো। তার উপর গোটা বাড়িটা যেনো তারই প্রতিচ্ছবি। তবে রিশাদ তাকে বসে থাকতে দেয়নি। খুলে দিয়েছে কনসালটেন্ট এজেন্সি। যতো রকমের কেস আছে, আসিফ আর সাদিয়াকে নিজের তত্ত্বাবধানে রেখে অফিস পুরোদমে চালাচ্ছে। সাথে হিশাম আর সংসারও। হিশাম আরমিন-রিশাদের একমাত্র ছেলে। আর এটার নীচ তলা এখন এজেন্টস অব ডি এর হেডকোয়ার্টার।
ঢাকার এদিকটায় শান্ত নির্জন এলাকা। অন্ততঃ জ্যামের এলাকা নয়। এরিয়াটা প্রায় গ্রামের কাছাকাছি ধরা যায়। তাই সবার একটু এরকম এলাকাই পছন্দ। দিনজুড়ে প্রতিঘন্টায় দু একটা কেসের ফোন আসছে। কেউ ড্রাগ চালানের, কেউ অত্যাচারী কোন গ্যাংস্টারের খোঁজ দিচ্ছে, কেউবা কোন ভাড়াটে খুনী বা সন্ত্রাসীর খবর দেয়। দেখতে দেখতে দিন গড়িয়ে গেলো। সন্ধ্যা নেমে আসছে ঢাকার বুকে। অফিস ক্লোজ করে আরমিন সাদিয়াকে নিয়ে উপরে এসেছে। নীচে একটা রুমে আসিফ থাকে। একটু পরেই রিশাদ চলে আসবে।
হঠাৎ ইমার্জেন্সি কোড নোটিফিকেশন ভেসে উঠলো আরমিনের স্মার্টফোনে। সি ফাইভ ফাইভ জে টুয়েন্টি। এটা একটা স্পেশাল কোড যা ইনডিকেট করে কোন এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল বা অজানা নতুন কোন ভয়ানক প্রাণীর উদ্ভব হলে। আরমিন একটু চমকে উঠলো নোটিফিকেশনটা তার এলাকার সাথে লাগোয়া একটা জোনে দেখা যাচ্ছে বলে। প্রায় একই সময়ে নিজের রুমে কান খাড়া হয়ে গেলো আসিফের। নাকের ভেতর অদ্ভুত গন্ধ আসছে দশ মাইল দুর থেকে। বিকট ভয়ংকর আর তীব্র আওয়াজও তার কানে আসলো যা অন্য সাধারণ কেউ শুনতে পায়না। হাত চাপা দিয়ে দৌড় দিলো উপর দিকে। ওদিকে বলছিলাম একই সময়ে সাদিয়াও বিদ্যুৎ শক খাওয়ার মতো লাফিয়ে উঠলো। ইমারজেন্সি ডিজিটাল ওয়্যারলেস গিগাবক্সের লাল বাটন চিপলো। ভয়েস রিকগনাইজড মাইক্রোচিপ তার গলা হুবুহু পাঠিয়ে দিলো বাংলাদেশ আর্মি, র্যাব, এনএসআই, চিতা ও ডিবির রেডিও কন্ট্রোল টাওয়ারে। বিশেষ ক্ষমতাবলে সে অতীত ও ভবিষ্যৎ দেখতে পায়। শক খাচ্ছে প্রতি ন্যানোসেকেন্ড। যা কল্পনাতীত। একটা মানুষ হঠাৎ করেই ভয়ংকর জন্তুতে রূপ নিচ্ছে। চোখালো নখ, দাঁত আর অবিশ্বাস্য লাফ দেওয়ার ক্ষমতা তার। সংক্রমিত হওয়ার পর আশেপাশের মানুষ দেখে হুড়মুড় করে ছুটে যাচ্ছে। যার গায়েই আঁচড় লাগছে, সেই সংক্রমিত হচ্ছে। বিশাল এক ভয়ংকর ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে মনুষ্যজাতির জন্য। শিউরে উঠে পট পট বলতে লাগলো ভয়েস রিকগনাইজড মাইক্রোচিপে, "কোড ভিশন ওমেন, দিস ইজ ইমার্জেন্সি মেসেজ টু অল ইউনিট অব পিপল'স রিপাবলিক অব বাংলাদেশ, দোজ হু আর রিসিভিং প্লীজ রেস্ট্রিক্ট ইওর এরিয়া এন্ড প্রোটেক্ট এভ্রি লিভিং অবজেক্ট ফ্রম আনআইডেন্টিফাইড বিস্ট হেডিং ফ্রম দ্য নিয়ারেস্ট জোন অব আশুলিয়া" বলেই দরজার দিকে তাকিয়ে দেখলো আরমিন চোখ গোল গোল করে তাকিয়ে আছে...
-অদ্ভুত। আরমিন বিশ্বাস করতে পারছে না।
-যা ইমাজিন করেছি সত্যি। সাদিয়া বললো।
-টিভি অন করো। দরজার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে আসিফ।
চটগ্রাম ইপিজেড, একরাশ সূর্যের আলো এসে ঢুকছে জানালা দিয়ে। নেভি ব্লু কাঁচে ঘেরা পর্দা দেয়া ঘরে বসে আছে রিফাত। ইনব্লেন গার্মেন্টস এর প্রবেশনারি অফিসার। ঘুরে ঘুরে কাজ দেখা আর সবার কাছ থেকে হিসাব নেয়া কাজের, এটাই বোধহয় ওর কাজ বলে ধরে নিয়েছে। আফসোস এর দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো মুখ দিয়ে। কি না ছিলো জীবন টা।